উচ্চ আঁশ জাতীয় খাদ্য কি? এর সুবিধা অসুবিধা এবং গুরুত্ব কি?

উচ্চ আঁশ জাতীয় খাদ্য কি? এর সুবিধা অসুবিধা এবং গুরুত্ব কি?

হাই ফাইবার ডায়েট


উচ্চ আঁশযুক্ত🥒 খাবার কি


রান্না করা খাবারে ফাইবারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে না। আপনি কাঁচা বা রান্না করা সবজি থেকে ফাইবারের সুবিধা পেতে পারেন।

উচ্চ আঁশযুক্ত খাদ্য কি

একটি উচ্চ অবশিষ্ট খাদ্য বা হাই ফাইবার ডায়েট কি জন্য ব্যবহৃত হয়?

উচ্চ ফাইবার-উচ্চ অবশিষ্টাংশের খাদ্য প্রায়ই কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিত্সার জন্য নির্ধারিত হয়, ডাইভার্টিকুলার রোগ, কোলিক এবং কষা কোলন ফাইবারের মাঝারি বৃদ্ধিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

অত্যধিক ফাইবার আইবিএস ট্রিগার করতে পারে? কিছু লোকের জন্য আইবিএস-সম্পর্কিত ডায়রিয়াকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে এমন খাবারগুলির মধ্যে রয়েছে: অত্যধিক ফাইবার, বিশেষ করে অদ্রবণীয় ধরনের ফল এবং সবজির ত্বক।

  • চকোলেট,
  • অ্যালকোহল,
  • ক্যাফেইন,
  • ফ্রুক্টোজ বা সরবিটলযুক্ত খাবার এবং পানীয়। কার্বনেটেড পানীয়।

কারা একটি উচ্চ ফাইবার খাদ্য থেকে উপকৃত হবে?

ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে, ফাইবার - বিশেষ করে দ্রবণীয় ফাইবার - চিনির শোষণকে ধীর করে দিতে পারে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে। অদ্রবণীয় ফাইবার অন্তর্ভুক্ত একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য টাইপ 2 ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন অর্জনে সহায়ক।

কাদের একটি উচ্চ ফাইবার খাদ্য প্রয়োজন?

একটি উচ্চ ফাইবার খাদ্য কোলনের ব্যাকটেরিয়া মেকআপকে আরও অনুকূল ভারসাম্যের দিকে পরিবর্তন করে। উদাহরণস্বরূপ, স্থূলতা, ডায়াবেটিস টাইপ 2 এবং প্রদাহজনক অন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কোলনে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার প্রাধান্য রয়েছে।

উচ্চ আঁশ যুক্ত কিছু জনপ্রিয় খাদ্য

উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ কিছু খাবারের নাম জেনে নিই।

১,চিয়া বীজ

তোকমা জাতীয়, কিন্তু তোকমা নয়। তোকমা দানার চেয়ে কিছুটা ছোট ও হালকা বর্ণের।

প্রতি ১০০ গ্রাম চিয়া বীজে পাওয়া যায় ৩৪ গ্রাম ফাইবার।

২,তকমা

চিয়া বীজের চেয়ে তোকমা আকারে কিছুটা বড়, গাঢ় বর্ণের।

প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানাতে কতটুকু ফাইবার পাওয়া যায় তার সঠিক হিসাব দিতে পারছি না। তবে সেটা চিয়া বীজের থেকে কোন অংশে কম নয় এটা বলতে পারি।

৩,শিমের বীজ

১০০ গ্রাম শিমের বীজে রয়েছে ২৫ গ্রাম ফাইবার।

৪,বার্লি/যব

প্রতি ১০০ গ্রাম খোসা ছাড়ানো বার্লিতে রয়েছে ১৭ গ্রাম ফাইবার।

পপকর্ন প্রতি ১০০ গ্রাম পপকর্নে পাবেন ১৩ গ্রামের মতো ফাইবার। কিন্তু ১০০ গ্রাম পপকর্ন খাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য, কি বলেন?

৫,কাঠবাদাম

১০০ গ্রাম কাঠবাদামে রয়েছে ১২.২ গ্রাম ফাইবার।

৬,ওটস/জই

প্রতি ১০০ গ্রাম ওটসে পাওয়া যায় ১১ গ্রাম ফাইবার

৭,চকোলেট

৭০-৮৫ কোকা কনটেন্ট আছে এরকম ১০০ গ্রাম ডার্ক চকলেটে ১১ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়

৮,পেস্তা

প্রতি ১০০ গ্রাম পেস্তা বাদামে রয়েছে ১০ গ্রাম ফাইবার।

৯,মসুরের ডাল

১০০ গ্রাম মসুরের ডালে পাবেন ৮ গ্রাম ফাইবার।

১০,ছোলা

১০০ গ্রাম ছোলায় আছে ৭.৬ গ্রাম ফাইবার।

১১,অ্যাভোক্যাডো

১০০ গ্রাম অ্যাভোক্যাডোতে পাওয়া যায় ৬.৭ গ্রাম ফাইবার।

১২,রাস্পবেরি

১০০ গ্রাম রাস্পবেরিতে পাওয়া যায় ৬.৫ গ্রাম ফাইবার।

১৩,মটরশুঁটি

১০০ গ্রাম মটরশুঁটিতে রয়েছে ৫ গ্রাম ফাইবার।

এছাড়াও নারকেলে প্রতি ১০০ গ্রামে রয়েছে ৯ গ্রাম ফাইবার।

উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত সব খাবারেই কমবেশি ফাইবার (আঁশ) পাওয়া যায়। এখানে শুধুমাত্র যেই খাবারগুলোতে অনেক বেশি পরিমাণ পাওয়া যায় সেগুলোই লেখা হলো।

"স্বাস্থ্যের কথা " বাংলা ভাষায় অনলাইন স্বাস্থ্য ম্যাগাজিন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। বিশেষজ্ঞ মানবিক চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত। নিম্নোক্ত নম্বরে বিকাশ এর মাধ্যমে দান করে চিকিৎসা গবেষণায় সহায়তা করুন; +৮৮০১৮১৩৬৮০৮৮৬।

মন্তব্যসমূহ